প্রিয় পাঠক,

এই বার্তার লক্ষ্য আপনাকে পৃথিবীতে আমাদের বেঁচে থাকার উদ্দেশ্য নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করার জন্য আহবান জানানো এবং মৃত্যু পরবর্তী জীবনে আপনার অবস্থা সম্পর্কে আপনাকে জ্ঞ্যাত করা। আপনি জান্নাত (স্বর্গ) অথবা জাহান্নাম (নরক) কোনটি লাভ করবেন? দয়া করে খেয়াল করুন, আপনি যখন এই বার্তাটি পড়া শেষ করবেন, আপনাকে এমন একজন ব্যক্তি হিসাবে গণ্য করা হবে যার নিকট ইসলামের বার্তা পৌঁছান হয়েছে, সুতরাং পরকালে সৃষ্টিকর্তার নিকট এই মর্মে কোন অজুহাত পেশ করতে পারবেন না যে আপনি জানতেন না।


লক্ষ্য করুন, সর্বশক্তিমান আল্লাহই একমাত্র সৃষ্টিকর্তা এবং উপাসনার যোগ্য। তিনি ব্যতিত আর কোন উপাস্য নেই। তিনি কারও থেকে জন্ম নেননি এবং তিনি কাউকে জন্মও দেননি।
আল্লাহ বলেন,
“সেদিন কামনা করবে সে সমস্ত লোক, যারা কাফের হয়েছিল এবং রসূলের নাফরমানী করেছিল, যেন যমীনের সাথে মিশে যায়। কিন্তু গোপন করতে পারবে না আল্লাহর নিকট কোন বিষয়।”   (সুরাঃ৪, আয়াতঃ৪২)

আল্লাহ বলেন,
“যে কেউ রসূলের বিরুদ্ধাচারণ করে, তার কাছে সরল পথ প্রকাশিত হওয়ার পর এবং সব মুসলমানের অনুসৃত পথের বিরুদ্ধে চলে, আমি তাকে ঐ দিকেই ফেরাব যে দিক সে অবলম্বন করেছে এবং তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করব। আর তা নিকৃষ্টতর গন্তব্যস্থান।”   (সুরাঃ৪, আয়াতঃ১১৫)

মহানবী মুহাম্মদ(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)বলেছেন,
“সেই স্বত্তার কসম যার হাতে মুহাম্মদের প্রাণ, যে কেউ, হোক সে ইহুদি অথবা খ্রিষ্টান, আমার সম্পর্কে শুনে থাকে এবং আমার বয়ে আনা বার্তার প্রতি বিশ্বাস ছাড়াই মৃত্যুবরণ করে তাহলে সে অবশ্যই জাহান্নামীদের (নরকবাসী) একজন হবে।”   (মুসলিম)

জেনে রাখুন, আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য একমাত্র ধর্ম হল ইসলাম। এটিই ছিল সকল নবী-রাসুলদের ধর্ম।

আল্লাহ বলেন,
“এরই ওছিয়ত করেছে ইব্রাহীম তার সন্তানদের এবং ইয়াকুবও যে, হে আমার সন্তানগণ, নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের জন্য এ ধর্মকে মনোনীত করেছেন। কাজেই তোমরা মুসলমান না হয়ে কখনও মৃত্যুবরণ করো না।”   (সুরাঃ২, আয়াতঃ১৩২)

আল্লাহ বলেন,
“নিঃসন্দেহে আল্লাহর নিকট গ্রহণযোগ্য দ্বীন একমাত্র ইসলাম। এবং যাদের প্রতি কিতাব দেয়া হয়েছে তাদের নিকট প্রকৃত জ্ঞান আসার পরও ওরা মতবিরোধে লিপ্ত হয়েছে, শুধুমাত্র পরস্পর বিদ্বেষবশতঃ, যারা আল্লাহর নিদর্শনসমূহের প্রতি কুফরী করে তাদের জানা উচিত যে, নিশ্চিতরূপে আল্লাহ হিসাব গ্রহণে অত্যন্ত দ্রুত।”   (সুরাঃ৩, আয়াতঃ১৯)

আল্লাহ বলেন,
“যে লোক ইসলাম ছাড়া অন্য কোন ধর্ম তালাশ করে, কস্মিণকালেও তা গ্রহণ করা হবে না এবং আখেরাতে সে ক্ষতি গ্রস্ত।”   (সুরাঃ৩, আয়াতঃ৮৫)

জেনে রাখুন, মৃত্যুর পরবর্তি পুনরুত্থান বেশি দূরে নয় এবং তা চরম সত্য। ইহা অতি নিকটবর্তী

আল্লাহ বলেন,
“নিশ্চয় তারা ক্ষতিগ্রস্ত, যারা আল্লাহর সাক্ষাৎকে মিথ্যা মনে করেছে। এমনকি, যখন কিয়ামত তাদের কাছে অকস্মাৎ এসে যাবে, তারা বলবেঃ হায় আফসোস, এর ব্যাপারে আমরা কতই না ক্রটি করেছি। তার স্বীয় বোঝা স্বীয় পৃষ্ঠে বহন করবে। শুনে রাখ, তারা যে বোঝা বহন করবে, তা নিকৃষ্টতর বোঝা।”   (সুরাঃ৬, আয়াতঃ৩১)

আল্লাহ বলেন,
“কেয়ামত অবশ্যই আসবে, আমি তা গোপন রাখতে চাই; যাতে প্রত্যেকেই তার কর্মানুযায়ী ফল লাভ করে।”   (সুরাঃ২০, আয়াতঃ১৫)

আল্লাহ বলেন,
“এবং এ কারণে যে, কেয়ামত অবশ্যম্ভাবী, এতে সন্দেহ নেই এবং এ কারণে যে, কবরে যারা আছে, আল্লাহ তাদেরকে পুনরুত্থিত করবেন।”   (সুরাঃ২২, আয়াতঃ৭)

আল্লাহ বলেন,
“কাফেররা বলে আমাদের উপর কেয়ামত আসবে না। বলুন কেন আসবে না? আমার পালনকর্তার শপথ-অবশ্যই আসবে। তিনি অদৃশ্য সম্পর্কে জ্ঞাত। নভোমন্ডলে ও ভূ-মন্ডলে তাঁর আগোচরে নয় অণু পরিমাণ কিছু, না তদপেক্ষা ক্ষুদ্র এবং না বৃহৎ-সমস্তই আছে সুস্পষ্ট কিতাবে।”   (সুরাঃ৩৪, আয়াতঃ৩)

আল্লাহ বলেন,
“কেয়ামত অবশ্যই আসবে,এতে সন্দেহ নেই; কিন্ত অধিকাংশ লোক বিশ্বাস স্থাপন করে না।”  (সুরাঃ৪০, আয়াতঃ৫৯)

আল্লাহ বলেন,
“অতঃপর কেয়ামতের দিন তোমরা পুনরুত্থিত হবে।”   (সুরাঃ২৩, আয়াতঃ১৬)

আল্লাহ বলেন,
“আর কিই বা ক্ষতি হত তাদের যদি তারা ঈমান আনত আল্লাহর উপর কেয়ামত দিবসের উপর এবং যদি ব্যয় করত আল্লাহ প্রদত্ত রিযিক থেকে! অথচ আল্লাহ, তাদের ব্যাপারে যথার্থভাবেই অবগত।”   (সুরাঃ৪, আয়াতঃ৩৯)

আল্লাহ বলেন,
“অতঃপর কেউ অণু পরিমাণ সৎকর্ম করলে তা দেখতে পাবে, এবং কেউ অণু পরিমাণ অসৎকর্ম করলে তাও দেখতে পাবে।”   (সুরাঃ৯৯, আয়াতঃ৭-৮)

জেনে রাখুন, জান্নাত (স্বর্গ) এবং এর নিয়ামত চরম সত্য। জান্নাতে এমন কিছু আছে জা কেউ কখনো দেখেনি, শুনেনি। জান্নাত চরম সুখময় স্থান যা প্রস্তুত করা হয়েছে আল্লাহর অনুসারী মু’মিন বান্দাদের জন্য, সেস্খানে তারা চিরকাল থাকবে।

আল্লাহ বলেন,
“পরহেযগারদের জন্যে প্রতিশ্রুত জান্নাতের অবস্থা এই যে, তার নিম্নে নির্ঝরিণীসমূহ প্রবাহিত হয়। তার ফলসমূহ চিরস্থায়ী এবং ছায়াও। এটা তাদের প্রতিদান, যারা সাবধান হয়েছে এবং কাফেরদের প্রতিফল অগ্নি।”   (সুরাঃ১৩, আয়াতঃ৩৫)

আল্লাহ বলেন,
“আর হে নবী (সাঃ), যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজসমূহ করেছে, আপনি তাদেরকে এমন বেহেশতের সুসংবাদ দিন, যার পাদদেশে নহরসমূহ প্রবাহমান থাকবে। যখনই তারা খাবার হিসেবে কোন ফল প্রাপ্ত হবে, তখনই তারা বলবে, এতো অবিকল সে ফলই যা আমরা ইতিপূর্বেও লাভ করেছিলাম। বস্তুতঃ তাদেরকে একই প্রকৃতির ফল প্রদান করা হবে। এবং সেখানে তাদের জন্য শুদ্ধচারিনী রমণীকূল থাকবে। আর সেখানে তারা অনন্তকাল অবস্থান করবে।”   (সুরাঃ২, আয়াতঃ২৫)

আল্লাহ বলেন,
“যারা বিশ্বাস স্থাপন করে ও সৎকর্ম করে,আমি অবশ্যই তাদেরকে জান্নাতের সুউচ্চ প্রাসাদে স্থান দেব, যার তলদেশে প্রস্রবণসমূহ প্রবাহিত। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। কত উত্তম পুরস্কার কর্মীদের।”   (সুরাঃ২৯, আয়াতঃ৫৮)

আল্লাহ বলেন,
“এদিন জান্নাতীরা আনন্দে মশগুল থাকবে। ”   (সুরাঃ৩৬, আয়াতঃ৫৫)

আল্লাহ বলেন,
“পরহেযগারদেরকে যে জান্নাতের ওয়াদা দেয়া হয়েছে, তার অবস্থা নিম্নরূপঃ তাতে আছে পানির নহর, নির্মল দুধের নহর যারা স্বাদ অপরিবর্তনীয়,পানকারীদের জন্যে সুস্বাদু শরাবের নহর এবং পরিশোধিত মধুর নহর। তথায় তাদের জন্যে আছে রকমারি ফল-মূল ও তাদের পালনকর্তার ক্ষমা। পরহেযগাররা কি তাদের সমান, যারা জাহান্নামে অনন্তকাল থাকবে এবং যাদেরকে পান করতে দেয়া হবে ফুটন্ত পানি অতঃপর তা তাদের নাড়িভূঁড়ি ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেবে?”  (সুরাঃ৪৭, আয়াতঃ১৫)

আল্লাহ বলেন,
“তোমরা তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা এবং জান্নাতের দিকে ছুটে যাও যার সীমানা হচ্ছে আসমান ও যমীন, যা তৈরী করা হয়েছে পরহেযগারদের জন্য।”   (সুরাঃ৩, আয়াতঃ১৩৩)

আল্লাহ বলেন,
“তোমরা অগ্রে ধাবিত হও তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমা ও সেই জান্নাতের দিকে, যা আকাশ ও পৃথিবীর মত প্রশস্ত। এটা প্রস্তুত করা হয়েছে আল্লাহ ও তাঁর রসূলগণের প্রতি বিশ্বাসস্থাপনকারীদের জন্যে। এটা আল্লাহর কৃপা, তিনি যাকে ইচ্ছা, এটা দান করেন। আল্লাহ মহান কৃপার অধিকারী।”   (সুরাঃ৫৭, আয়াতঃ২১)

জেনে রাখুন, জাহান্নাম (নরক) চরম সত্য। এর আযাব ভয়াবহ এবং অসহনীয়। জাহান্নাম এমন এক জায়গা যা কেউ কখন দেখেনি। এটা অত্যন্ত নিকৃষ্ট স্থান যা প্রস্তুত করা হয়েছে আল্লাহ অস্বীকারকারীদের জন্য এবং যারা আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে শরীক করে (যেমনঃ খ্রিষ্টানরা ঈসা [আঃ]-কে করে, হিন্দুরা বিভিন্ন দেবদেবীর পুজা করে)।

আল্লাহ বলেন,
“তারা কি একথা জেনে নেয়নি যে,আল্লাহর সাথে এবং তাঁর রসূলের সাথে যে মোকাবেলা করে তার জন্যে নির্ধারিত রয়েছে দোযখ; তাতে সব সময় থাকবে। এটিই হল মহা-অপমান।”  (সুরাঃ৯, আয়াতঃ৬৩)

আল্লাহ বলেন,
“আল্লাহ যাকে পথ প্রদর্শন করেন, সেই তো সঠিক পথ প্রাপ্ত এবং যাকে পথ ভ্রষ্ট করেন, তাদের জন্যে আপনি আল্লাহ ছাড়া কোন সাহায্যকারী পাবেন না। আমি কেয়ামতের দিন তাদের সমবেত করব তাদের মুখে ভর দিয়ে চলা অবস্থায়, অন্ধ অবস্থায়, মুক অবস্থায় এবং বধির অবস্থায়। তাদের আবাসস্থল জাহান্নাম। যখনই নির্বাপিত হওয়ার উপক্রম হবে আমি তখন তাদের জন্যে অগ্নি আরও বৃদ্ধি করে দিব।”   (সুরাঃ১৭, আয়াতঃ৯৭)
 আল্লাহ বলেন,
“এবং অপরাধীদেরকে পিপাসার্ত অবস্থায় জাহান্নামের দিকে হাঁকিয়ে নিয়ে যাব।”   (সুরাঃ১৯, আয়াতঃ৮৬)

আল্লাহ বলেন,
“নিশ্চয়ই যে তার পালনকর্তার কাছে অপরাধী হয়ে আসে, তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম। সেখানে সে মরবে না এবং বাঁচবেও না।”   (সুরাঃ২০, আয়াতঃ৭৪)

আল্লাহ বলেন,
“আর যারা কাফের হয়েছে, তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের আগুন। তাদেরকে মৃত্যুর আদেশও দেয়া হবে না যে, তারা মরে যাবে এবং তাদের থেকে তার শাস্তিও লাঘব করা হবে না। আমি প্রত্যেক অকৃতজ্ঞকে এভাবেই শাস্তি দিয়ে থাকি।”   (সুরাঃ৩৫, আয়াতঃ৩৬)

আল্লাহ বলেন,
“কাফেরদেরকে জাহান্নামের দিকে দলে দলে হাঁকিয়ে নেয়া হবে। তারা যখন সেখানে পৌছাবে, তখন তার দরজাসমূহ খুলে দেয়া হবে এবং জাহান্নামের রক্ষীরা তাদেরকে বলবে, তোমাদের কাছে কি তোমাদের মধ্য থেকে পয়গম্বর আসেনি, যারা তোমাদের কাছে তোমাদের পালনকর্তার আয়াতসমূহ আবৃত্তি করত এবং সতর্ক করত এ দিনের সাক্ষাতের ব্যাপারে? তারা বলবে, হ্যাঁ, কিন্তু কাফেরদের প্রতি শাস্তির হুকুমই বাস্তবায়িত হয়েছে।”   (সুরাঃ৩৯, আয়াতঃ৭১)

লক্ষ্য করুন, আপনি যদি আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের [মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)] উপর বিশ্বাস এনে ইসলাম গ্রহণ করে মৃত্যুবরণ করেন তাহলে আপনি জাহান্নাম হতে রক্ষা পাবেন এবং জান্নাতবাসী হবেন এবং সেখানে চিরকাল থাকবেন।

আল্লাহ বলেন,
“আর যারা তাঁর কাছে আসে এমন ঈমানদার হয়ে যায় সৎকর্ম সম্পাদন করেছে, তাদের জন্যে রয়েছে সুউচ্চ মর্তবা।”   (সুরাঃ২০, আয়াতঃ৭৫)

অপরদিকে, আপনি যদি আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করে থাকেন (আল্লাহর পাশাপাশি অন্য কাউকে ইবাদত করে থাকেন), তাঁকে অস্বীকার করে থাকেন, সত্যকে অস্বীকার করেন,  তাহলে আপনি জাহান্নামীদের (নরক) অন্তর্ভুক্ত হবেন এবং সেখানে চিরকাল আগুনে পুড়তে হবে।

আল্লাহ বলেন,
“এবং যে আমার স্মরণ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, তার জীবিকা সংকীর্ণ হবে এবং আমি তাকে কেয়ামতের দিন অন্ধ অবস্থায় উত্থিত করব।”   (সুরাঃ২০, আয়াতঃ১২৪)

আল্লাহ বলেন,
“যে ব্যক্তিকে তার পালনকর্তার আয়াতসমূহ দ্বারা উপদেশ দান করা হয়, অতঃপর সে তা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয় ,তার চেয়ে যালেম আর কে? আমি অপরাধীদেরকে শাস্তি দেব।”   (সুরাঃ৩২, আয়াতঃ২২)

আল্লাহ বলেন,
“নিশ্চয়ই যে তার পালনকর্তার কাছে অপরাধী হয়ে আসে, তার জন্য রয়েছে জাহান্নাম। সেখানে সে মরবে না এবং বাঁচবেও না।”   (সুরাঃ২০, আয়াতঃ৭৪)

আল্লাহ বলেন,
“...তোমাদের মধ্যে যারা নিজের দ্বীন থেকে ফিরে দাঁড়াবে এবং কাফের অবস্থায় মৃত্যুবরণ করবে, দুনিয়া ও আখেরাতে তাদের যাবতীয় আমল বিনষ্ট হয়ে যাবে। আর তারাই হলো দোযখবাসী। তাতে তারা চিরকাল বাস করবে।”   (সুরাঃ২, আয়াতঃ২১৭)

জেনে রাখুন, ধর্মে কোন বাড়াবাড়ি নেই। সঠিক পথ ও ভুল পথ দুটোই স্পষ্ট। সুতরাং, উপরের বার্তাটি পড়ার পর,চিন্তা-ভাবনা করার পর যদি সত্য অস্বীকার করেন, তাহলে আল্লাহর কাছে অজুহাত পেশ করতে পারবেন না। যেহেতু সকল নবী-রাসুলদের বার্তা আপনার নিকট আল-কুরআনের মাধ্যমে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে, কাজেই বিচার দিবসে আপনাকে এ ব্যাপারে প্রশ্ন করা হবে। বিচার দিবসে কোন টাকা-পয়সা, সন্তান-সন্ততি কাজে আসবেনা, বরং যারা মুসলিম হয়ে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের উপর দৃঢ় বিশ্বাস রেখে আল্লাহর সামনে সেদিন হাজির হবে, তারাই বিজয়ী হবে।
সবশেষে একটি কথা লক্ষ্য রাখবেন, শয়তান এবং যারা ইসলামবিরোধী কাজে নিয়োজিত তারা আপনাকে সর্বদা এই মহান সত্য বার্তা হতে বিমুখ করে রাখবে।

আমরা মহান আল্লাহর নিকট দুয়া করি যাতে তিনি আপনাকে সঠিক পথে পরিচালিত করুন, আপনাকে সঠিক রাস্তা দেখান। আল্লাহর জন্যই সমস্ত প্রশংসা যিনি সমগ্র বিশ্বজগতের প্রভু, পালনকর্তা। তারই নিকট আমাদের সকলের প্রত্তাবর্তন।
 একটা কথা মনে রাখবেন, প্রতিটি আদম সন্তান মুসলিম হয়ে জন্ম গ্রহণ করে। বিস্তারিত এই লিংকে পাবেন। 
ওয়েব সম্পাদনাঃ মোঃ মাহমুদ ইবন গাফফার
প্রবন্ধের উৎসঃ সরল পথ ওয়েবসাইট 

0 comments:

Post a Comment

 
Top